সিভিল সার্ভিস: সরকার বদলালেও যে দল থেকে যায়
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা নির্বাচনের সঙ্গে আসেন-যান, কিন্তু সরকারি দপ্তরে কাজ করা বেশির ভাগ মানুষ থেকে যান। তাঁরা হলেন সিভিল সার্ভেন্ট (civil servants), সরকারের স্থায়ী কর্মী, যাঁরা:
- মন্ত্রীদের নীতি তৈরি ও বাস্তবায়নে সাহায্য করেন, আর জনসেবা পরিচালনা করেন;
- মন্ত্রীদের কাছে জবাবদিহি করেন;
- রাজনৈতিক মতের জন্য নয়, যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ পান, এবং তাঁদের রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকতে হয়: কোনো দল তাঁদের নিয়োগ দেয় না;
- অন্য যেকোনো চাকরির মতোই আবেদন করে যোগ দেওয়া যায়।
সিভিল সার্ভেন্টদের কাছে আশা করা হয় যে তাঁরা কাজের প্রতি নিবেদিত থাকবেন এবং চারটি মূল মূল্যবোধ মেনে চলবেন: সততা ও নীতিনিষ্ঠা (integrity), সত্যবাদিতা (honesty), বস্তুনিষ্ঠতা (objectivity: তথ্যের ভিত্তিতে বিচার করা) আর নিরপেক্ষতা (impartiality: কোনো পক্ষ না নেওয়া, যার মধ্যে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতাও আছে)।
মন্ত্রী আর সিভিল সার্ভেন্টদের সম্পর্ক নিয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গ করা হয়েছিল 1980-এর দশকের সিটকম Yes Minister-এ, যেখানে নতুন নিয়োগ পাওয়া এক মন্ত্রীকে তাঁর অভিজ্ঞ জ্যেষ্ঠ সিভিল সার্ভেন্ট সব সময় ভদ্রভাবে "সঠিক" পথে চালিত করেন। শোনা যায়, তখনকার প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার একে তাঁর প্রিয় অনুষ্ঠান বলেছিলেন।
কুইজ
Which TWO of these statements are correct?
প্রশ্নটি বাংলায়
এই বক্তব্যগুলোর কোন দুটি সঠিক?A: সিভিল সার্ভেন্টরা যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত হন এবং তাঁদের রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ থাকতে হয়।
B: সাধারণ নির্বাচনে যে দল জেতে, সেই দল সিভিল সার্ভেন্টদের নিয়োগ দেয়।
C: Greenpeace পরিবেশ নিয়ে প্রচারণা চালানো একটি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর উদাহরণ।
D: CBI একটি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী, যা মূলত মানবাধিকার নিয়ে প্রচারণা চালায়।
সিভিল সার্ভেন্টদের কোনো দল নিয়োগ দেয় না, তাই সরকার বদলালেও তাঁরা বদলান না। CBI ব্যবসার পক্ষে কথা বলে; মানবাধিকারের উদাহরণ হলো Liberty।