1603–1640 সাল
রাজা বনাম পার্লামেন্ট: রাজাদের ঐশ্বরিক অধিকার
সতেরো শতকের গোড়ায় ইংল্যান্ডে এক বড় বিরোধ দানা বাঁধছিল: দেশ আসলে কে চালায়, রাজা না পার্লামেন্ট? প্রথম এলিজাবেথ পার্লামেন্ট সামলাতে খুব দক্ষ ছিলেন। তিনি জানতেন নিজের চাওয়া, হাউস অব লর্ডসের (House of Lords) চাওয়া আর হাউস অব কমন্সের (House of Commons) চাওয়ার মধ্যে কীভাবে পথ করে নিতে হয়, বিশেষ করে যখন কমন্স ক্রমেই আরও প্রোটেস্ট্যান্ট হয়ে উঠছিল।
প্রথম জেমস ও তাঁর ছেলে প্রথম চার্লস এতটা দক্ষ ছিলেন না। দুজনেই বিশ্বাস করতেন রাজাদের ঐশ্বরিক অধিকারে (Divine Right of Kings): এই ধারণা যে ঈশ্বর নিজেই রাজাকে বেছে নেন, তাই রাজার কোনো কাজের জন্য পার্লামেন্টের অনুমতি লাগে না।
ইংল্যান্ড, ওয়েলস, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের রাজা হওয়া প্রথম চার্লস ঠিক এভাবেই শাসন করতেন। পার্লামেন্ট তাঁর ধর্মীয় ও বৈদেশিক নীতির সঙ্গে একমত না হলে তিনি সোজা পার্লামেন্ট ডাকাই বন্ধ করে দিলেন। 11 বছর ধরে তিনি পার্লামেন্টের অনুমোদন ছাড়া টাকা তোলার যত উপায় মাথায় এসেছে সব চেষ্টা করেন, যতক্ষণ না স্কটল্যান্ডের গোলযোগ তাঁকে আবার পার্লামেন্ট ডাকতে বাধ্য করে।
কুইজ
James I and Charles I shared a belief that led Charles I to try to govern without Parliament. What was it called?
প্রশ্নটি বাংলায়
প্রথম জেমস ও প্রথম চার্লসের একটি অভিন্ন বিশ্বাস প্রথম চার্লসকে পার্লামেন্ট ছাড়া শাসন করার চেষ্টায় চালিত করেছিল। সেই বিশ্বাসটির নাম কী?রাজাদের ঐশ্বরিক অধিকার হলো এই ধারণা যে ঈশ্বর নিজেই রাজাকে বেছে নেন, তাই রাজার পার্লামেন্টের অনুমোদন লাগে না। প্রথম চার্লস এই বিশ্বাস অনুযায়ী 11 বছর পার্লামেন্ট ছাড়া শাসন করেন। সাংবিধানিক রাজতন্ত্র (Constitutional monarchy) এর ঠিক উল্টো ধারণা, এবং এর শুরু 1688-এর পরে। হেবিয়াস কর্পাস (Habeas corpus) হলো বেআইনি আটকের বিরুদ্ধে 1679 সালের আইন, আর আইনের শাসন (rule of law) মানে রাজাসহ সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে।