জাতিগত বৈচিত্র্য: এক শতাব্দী আগের চেয়ে অনেক বেশি মিশ্র

গল্প 9টির মধ্যে 5
সূচিকর্মের ধাঁচে আঁকা ছবি: 1940-এর দশকের একটি যাত্রীবাহী জাহাজ জেটির দিকে এগিয়ে আসছে, আর সারি বাঁধা টেরেস বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন নানা গায়ের রং ও পোশাকের ছয়জন মানুষ

একশো বছর আগের তুলনায় আজকের যুক্তরাজ্য অনেক বেশি বৈচিত্র্যময়, মানুষের জাতিগত পটভূমি আর ধর্ম, দুই দিক থেকেই। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের অভিবাসনের কারণে প্রায় 10% মানুষের অন্তত একজন বাবা-মা বা দাদা-দাদি/নানা-নানির জন্ম বিদেশে। যুক্তরাজ্য একটি বহুজাতিক, বহুবর্ণের সমাজ, যার সংস্কৃতি সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময়।

যুক্তরাজ্যের মানুষের পারিবারিক শিকড় সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে আছে, আর এই মিশ্রণ দ্রুত বদলাচ্ছে, বিশেষ করে লন্ডনের মতো বড় শহরে। তাই সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া কঠিন। জরিপে সবচেয়ে বেশি মানুষ যে গোষ্ঠী বেছে নেন, তা হলো শ্বেতাঙ্গ (white)। এর মধ্যে আছেন সেসব মানুষ, যাঁদের পরিবার এসেছে ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা বা নিউজিল্যান্ড থেকে। অন্যান্য বড় গোষ্ঠী হলো এশীয়, কৃষ্ণাঙ্গ ও মিশ্র বংশোদ্ভূত মানুষ।

এই মিশ্রণের অনেকটাই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের বছরগুলো থেকে শুরু। 1948 সালে এম্পায়ার উইন্ডরাশ (Empire Windrush) জাহাজ ক্যারিবিয়ান থেকে অভিবাসীদের প্রথম বড় দলটিকে নিয়ে আসে, আর পরে ভারত, পাকিস্তান ও অন্যান্য দেশ থেকে আরও অনেকে আসেন (দেখুন 1945-এর পরের ব্রিটেন)। যাঁদের বাবা-মা বা দাদা-দাদি/নানা-নানির জন্ম বিদেশে, সেই "প্রায় 10%"-এর পেছনের গল্প এটাই।

কুইজ

Is the statement below TRUE or FALSE? As a result of immigration after the Second World War, almost one in ten people in the UK has a parent or grandparent who was born abroad.

প্রশ্নটি বাংলায়নিচের বিবৃতিটি সত্য (TRUE) নাকি মিথ্যা (FALSE)? বিবৃতি: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের অভিবাসনের ফলে যুক্তরাজ্যের প্রায় প্রতি দশজনে একজনের বাবা-মা বা দাদা-দাদি/নানা-নানির জন্ম বিদেশে।

অধ্যায়ের সূচি: আজকের যুক্তরাজ্য